ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২১ আগস্ট হামলা মামলায় নতুন মোড়

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • 5

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির নেতা তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করেছে।

১২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে হাইকোর্ট একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় ২০০৪ সালের ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের খালাস দেয়। এর মধ্যে ছিলেন তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতারা। হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মামলায় বিচারিক আদালতের রায়কে অবৈধ ঘোষণা করে এবং বলেছে, চার্জশিট আইনে গ্রহণযোগ্য ছিল না।

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় বুধবার নিশ্চিত করেছে যে, রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছে, হাইকোর্টের রায়ের কারণ ও নির্দেশনা যাচাই করে আপিলের পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাক্ষীদের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আসামিদের বিরুদ্ধে সাজা দেওয়া হয়েছিল, যা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। আরও বলা হয়, হামলার মূল আসামি বা গ্রেনেড হামলার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

মামলার প্রধান আসামি মুফতি হান্নান তাঁর জবানবন্দি পরে প্রত্যাহার করেছিলেন, যাকে হাইকোর্ট অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে। মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষী না থাকার কারণে রায়কে বাতিল করা হয়েছে।

এখন রাষ্ট্রপক্ষের উদ্দেশ্য হলো উচ্চ আদালতে এই খালাস রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার মাধ্যমে মামলার সঠিক আইনি পরিণতি নিশ্চিত করা।

ট্যাগস

২১ আগস্ট হামলা মামলায় নতুন মোড়

আপডেট সময় ১২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির নেতা তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করেছে।

১২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে হাইকোর্ট একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় ২০০৪ সালের ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের খালাস দেয়। এর মধ্যে ছিলেন তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতারা। হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মামলায় বিচারিক আদালতের রায়কে অবৈধ ঘোষণা করে এবং বলেছে, চার্জশিট আইনে গ্রহণযোগ্য ছিল না।

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় বুধবার নিশ্চিত করেছে যে, রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছে, হাইকোর্টের রায়ের কারণ ও নির্দেশনা যাচাই করে আপিলের পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাক্ষীদের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আসামিদের বিরুদ্ধে সাজা দেওয়া হয়েছিল, যা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। আরও বলা হয়, হামলার মূল আসামি বা গ্রেনেড হামলার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

মামলার প্রধান আসামি মুফতি হান্নান তাঁর জবানবন্দি পরে প্রত্যাহার করেছিলেন, যাকে হাইকোর্ট অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে। মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষী না থাকার কারণে রায়কে বাতিল করা হয়েছে।

এখন রাষ্ট্রপক্ষের উদ্দেশ্য হলো উচ্চ আদালতে এই খালাস রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার মাধ্যমে মামলার সঠিক আইনি পরিণতি নিশ্চিত করা।