ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪
  • 55

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আরও বলেন, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা হবে। নতুন সরকারের নতুন ভিশন নিয়ে কাজ করবে দু’দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে এ দেশে বিনিয়োগে করতে পারে সে বিষয়ে কথা হয়েছে। তিনি বলেন, সাইবার সিকিউরিটি নিয়েও কথা বলেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে। আশা করি, ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের তরুণরা উদ্ভাবন ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে অবদান রাখছে। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে মার্কিন সরকারের সহযোগিতা অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো রয়েছে উল্লেখ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আগামী পাঁচ বছর নতুন সরকারের সঙ্গে আরও নতুন নতুন বিষয় নিয়ে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে পলকের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পলক।

বিভিন্ন মহল বলছে নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নিলেও নিতে পারে, আওয়ামী লীগের একজন এমপি হিসেবে আপনি কি মনে করছেন সম্পর্ক মধুর হওয়ার দিকে যাচ্ছে?

সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পলক বলেন, আমি মনে করি যে আমাদের নতুন সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার একজন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি দেশের একজন রাষ্ট্রদূত দেখা করার এবং এর মধ্য দিয়ে ব্যবসা, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, উদ্ভাবন- এগুলো নিয়ে আলোচনা করার মধ্য দিয়ে নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারেন যে, বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো রয়েছে।

পলক বলেন, আমাদের আলোচনার মূল তিনটি উদ্দেশ্য ছিল, আমেরিকা আমাদের সফটওয়্যার ও ফ্রিল্যান্সারদের আউটসোর্সিংয়ের সবচেয়ে বড় গন্তব্য। যে ৬০টি দেশে আমরা সফটওয়্যার রপ্তানি করি, আমেরিকায় তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়। আমেরিকায় আমাদের আউটসোর্সিংয়ের ক্লায়েন্ট (গ্রাহক) অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশি। কীভাবে এটা আরও বাড়াতে পারি, সেটা নিয়ে আমরা কথা বলেছি।

তিনি বলেন, ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসোর্স ইনোভেশন সেন্টার স্থাপন করার বিষয়েও কথা হয়েছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়েও সরকার কীভাবে সহযোগিতা করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বাংলাদেশের ডাক বিভাগের সঙ্গে আমেরিকার কীভাবে জি-টু-জি সহযোগিতা হতে পারে এবং আমেরিকার যে কোম্পানিগুলো আছে, বিশেষ করে অ্যামাজন, স্টারলিং, স্পেসএক্স, গুগল ও ফেসবুকের বিনিয়োগ কোন কোন ক্ষেত্রে আরও বেশি হতে পারে, সেগুলো নিয়ে কথা বলেছি।

ট্যাগস

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আরও বলেন, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা হবে। নতুন সরকারের নতুন ভিশন নিয়ে কাজ করবে দু’দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে এ দেশে বিনিয়োগে করতে পারে সে বিষয়ে কথা হয়েছে। তিনি বলেন, সাইবার সিকিউরিটি নিয়েও কথা বলেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে। আশা করি, ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের তরুণরা উদ্ভাবন ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে অবদান রাখছে। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে মার্কিন সরকারের সহযোগিতা অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো রয়েছে উল্লেখ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আগামী পাঁচ বছর নতুন সরকারের সঙ্গে আরও নতুন নতুন বিষয় নিয়ে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে পলকের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পলক।

বিভিন্ন মহল বলছে নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নিলেও নিতে পারে, আওয়ামী লীগের একজন এমপি হিসেবে আপনি কি মনে করছেন সম্পর্ক মধুর হওয়ার দিকে যাচ্ছে?

সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পলক বলেন, আমি মনে করি যে আমাদের নতুন সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার একজন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি দেশের একজন রাষ্ট্রদূত দেখা করার এবং এর মধ্য দিয়ে ব্যবসা, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, উদ্ভাবন- এগুলো নিয়ে আলোচনা করার মধ্য দিয়ে নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারেন যে, বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো রয়েছে।

পলক বলেন, আমাদের আলোচনার মূল তিনটি উদ্দেশ্য ছিল, আমেরিকা আমাদের সফটওয়্যার ও ফ্রিল্যান্সারদের আউটসোর্সিংয়ের সবচেয়ে বড় গন্তব্য। যে ৬০টি দেশে আমরা সফটওয়্যার রপ্তানি করি, আমেরিকায় তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়। আমেরিকায় আমাদের আউটসোর্সিংয়ের ক্লায়েন্ট (গ্রাহক) অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশি। কীভাবে এটা আরও বাড়াতে পারি, সেটা নিয়ে আমরা কথা বলেছি।

তিনি বলেন, ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসোর্স ইনোভেশন সেন্টার স্থাপন করার বিষয়েও কথা হয়েছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়েও সরকার কীভাবে সহযোগিতা করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বাংলাদেশের ডাক বিভাগের সঙ্গে আমেরিকার কীভাবে জি-টু-জি সহযোগিতা হতে পারে এবং আমেরিকার যে কোম্পানিগুলো আছে, বিশেষ করে অ্যামাজন, স্টারলিং, স্পেসএক্স, গুগল ও ফেসবুকের বিনিয়োগ কোন কোন ক্ষেত্রে আরও বেশি হতে পারে, সেগুলো নিয়ে কথা বলেছি।