ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪, ১২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ডুবে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন প্রায় ১০০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪
  • 93

ইউরোপের প্রবেশদ্বার ভূমধ্যসাগরে বহমান মৃত্যুর রথ যেন থামছেই না। কেবল চলতি জানুয়ারি মাসেই ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার সময় মধ্য এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ডুবে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন প্রায় ১০০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী।

জাতিসংঘের সংস্থা আইওএম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা দ্বিগুণ বেশি।’

আইএমও’র এই তথ্য এমন সময়ে সামনে এলো, যখন রোমে ইতালি-আফ্রিকা সম্মেলনে দুই ডজনেরও বেশি আফ্রিকান নেতা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও ইউরোপে অবৈধ অভিবাসন রোধ করার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে বসেছেন।

আইওএম প্রধান অ্যামি পোপ বলেছেন, ‘এমনকি একটি মৃত্যুর ঘটনাও অনেক বেশি কিছু। মৃত্যু ও নিখোঁজের সর্বশেষ পরিসংখ্যান স্পষ্ট অনুস্মারক যে, একটি বিস্তৃতি পদ্ধতি প্রচলন করা যা নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন রুটগুলো অন্তর্ভুক্ত করে। এটি একমাত্র সমাধান যা অভিবাসী ও দেশগুলোকে সমানভাবে উপকৃত করবে।’

আইএমও’র মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রজেক্ট অনুসারে, গত বছর ভূমধ্যসাগরে ৩ হাজার ৪১ জন অভিবাসী মারা গিয়েছিল বা নিখোঁজ হয়েছিল। যা ২০২২ সালে ২ হাজার ৪১১ জনের তুলনায় অনেক বেশি।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইতালীয় উপকূলের দিকে একটি নৌকায় রওনা হওয়ার পর প্রায় ৪০ তিউনিশিয়ান অভিবাসী ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ হয়েছিল।

অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জামাতে প্রধানত চারটি রুট ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে ভূমধ্যসাগরে রয়েছে তিনটি রুট।

ট্যাগস

পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ডুবে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন প্রায় ১০০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী

আপডেট সময় ১২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪

ইউরোপের প্রবেশদ্বার ভূমধ্যসাগরে বহমান মৃত্যুর রথ যেন থামছেই না। কেবল চলতি জানুয়ারি মাসেই ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার সময় মধ্য এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ডুবে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন প্রায় ১০০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী।

জাতিসংঘের সংস্থা আইওএম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা দ্বিগুণ বেশি।’

আইএমও’র এই তথ্য এমন সময়ে সামনে এলো, যখন রোমে ইতালি-আফ্রিকা সম্মেলনে দুই ডজনেরও বেশি আফ্রিকান নেতা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও ইউরোপে অবৈধ অভিবাসন রোধ করার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে বসেছেন।

আইওএম প্রধান অ্যামি পোপ বলেছেন, ‘এমনকি একটি মৃত্যুর ঘটনাও অনেক বেশি কিছু। মৃত্যু ও নিখোঁজের সর্বশেষ পরিসংখ্যান স্পষ্ট অনুস্মারক যে, একটি বিস্তৃতি পদ্ধতি প্রচলন করা যা নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন রুটগুলো অন্তর্ভুক্ত করে। এটি একমাত্র সমাধান যা অভিবাসী ও দেশগুলোকে সমানভাবে উপকৃত করবে।’

আইএমও’র মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রজেক্ট অনুসারে, গত বছর ভূমধ্যসাগরে ৩ হাজার ৪১ জন অভিবাসী মারা গিয়েছিল বা নিখোঁজ হয়েছিল। যা ২০২২ সালে ২ হাজার ৪১১ জনের তুলনায় অনেক বেশি।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইতালীয় উপকূলের দিকে একটি নৌকায় রওনা হওয়ার পর প্রায় ৪০ তিউনিশিয়ান অভিবাসী ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ হয়েছিল।

অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জামাতে প্রধানত চারটি রুট ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে ভূমধ্যসাগরে রয়েছে তিনটি রুট।