ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেয়ারবাজারের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে বিনিয়োগকারী: ডিএসই এমডি

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪
  • 13

শেয়ারবাজারের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে বিনিয়োগকারী এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাত্ত্বিক আহমেদ শাহ।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা আপনাদের মাধ্যমে কোম্পানির সম্পর্কিত সঠিক তথ্য পেয়ে থাকেন। এইজন্য আপনাদের তথ্যের সঠিকতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরী। বিনিয়োগকারীরা আপনাদের নিরিক্ষিত তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। আপনাদের তথ্য সঠিক হলেই কেবল একটি দীর্ঘমেয়াদি টেকসই শেয়ারবাজার গঠন সম্ভব।

রোববার (০২ জুন) ডিএসইর ট্রেনিং একাডেমিতে “ডিউ ডিলিজেন্স অফ ডিউটিস এন্ড রেস্পন্সিবিলিটিজ” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ডিএসইর লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স এন্ড ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং কমপ্লায়েন্স ডিপার্টমেন্টের যৌথ উদ্যোগে ইস্যু ম্যানেজার, আন্ডাররাইটার এবং প্যানেল অডিটরদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডিএসই’র ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাত্বিক আহমেদ শাহ৷

কর্মশালায় উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে ডিএসই ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, কোম্পানি আইপিওতে আসতে চাইলে তাকে ইস্যু ম্যানেজার নিয়োগ দিতে হয়। ইস্যু ম্যানেজারের কাজ হলো আন্ডাররাইটার সংগ্রহ করা, বিএসইসি’র অনুমতি নেয়া, প্রসপেক্টাস প্রকাশ, আবেদন পত্র যাচাই করা, বরাদ্দপত্র ইস্যু করা ইত্যাদি।

তিনি বলেন, যে কেউ চাইলেই ইস্যু ম্যানেজারের কাজ করতে পারে না, এজন্য বিএসইসি’র সনদ সংগ্রহ করতে হয়। এখানে ইস্যু ম্যানেজারের অনেক বেশি দায়িত্ব৷ একইসাথে অডিট রিপোর্ট গ্রহণযোগ্যতা জন্য নিরীক্ষককে দায়িত্বশীল হতে হবে। বিনিয়োগকারীদের কাছে অডিট রিপোর্টের গ্রহণযোগ্যতার জন্য নিরীক্ষা মতামতগুলো অবশ্যই সঠিক হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজকের কর্মশালাটি মূলত আয়োজন করা হয়েছে ডিএসই এপিএ এর অংশ হিসেবে, আমি মনে করি এই কর্মশালার মাধ্যমে অডিটর ইস্যু ম্যানেজার ও আন্ডার রাইটার সহ তাদের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা লাভ করবে।

আজকের এই কর্মশালায় ডিএসই’র বা রেগুলেটরি দৃষ্টিকোন থেকে আপনাদের দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে আলোকপাত করা হবে।

কর্মশালায় বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মাজেদা খাতুন বলেন, একটা কোম্পানি শেয়ারবাজারে আনতে হলে ইস্যু কোম্পানিকে অনেকটা অনুরোধ করেই আনতে হয়। আমাদের কাছে আসার পর দেখা যায় অনেক কিছুর অভাব রয়েছে।

সেইগুলো ঠিক করে একটা ইস্যু উপযোগী করা আমাদের জন্য অনেক কঠিন হয়। সেই জন্য আমরা ইতোধ্যেই পাবলিক রুলস বিভিন্ন ইস্যুতে কিছুটা মডিফিকেশনের জন্য বলেছি। ইস্যু ম্যানেজারের কাছে যখন আসে, তখন ইস্যু ম্যানেজারের সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। একটা ইস্যু জমা দিতে দেড় থেকে দুই বছর বা ক্ষেত্রেবিশেষে তারও বেশি সময় লাগে। ইস্যু ম্যানেজারের সে দায়িত্বগুলো দেওয়া হয়েছে বিশেষ করে ইউটিলাইজেশনের বিষয়টা, সেখানে ইস্যু ম্যানেজাররা কোনোভাবেই যুক্ত থাকেন না। সেটাকেও আমাদেরকে রেসপনসিবল করা হয়েছে।

অন্যান্য যে রেগুলেটর বডি আছে যেমন ভ্যাট, ট্যাক্স সেগুলো ইস্যু ম্যানেজাররা কিভাবে অথেনটিক্যাশন করতে পারবে। এই ডকুমেন্টগুলো অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে দেয়া হয়। সেই ডকুমেন্টগুলো আমাদের অথেনটিকেড করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা ভালো ইস্যু আনতে চাই। এজন্য আমরা কিছু প্রস্তাব দিয়েছি সেগুলো বাস্তবায়ন হলে আমাদের কাজ করতে সুবিধা হবে। একটা কোম্পানি গঠন করার সময় যদি মার্চেন্ট ব্যাংকারের সাথে সংযুক্ত করা যায়, তাহলে প্রথম থেকেই একটা সিস্টমে এর মধ্যে থাকবে যা পরবর্তীতে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত হতে ইস্যু ম্যানেজারকে সহায়তা করবে।

আইসিএবির কাউন্সিল মেম্বার ও সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. শাহাদাত হোসাইন বলেন, আজকে যে প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়েছে, এর মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি অনেকাংশে দূর করা যায়। একইসাথে সকলে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হবে।

এছাড়াও একে অপরের সাথে মত বিনিময় করলে সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব গড়ে ওঠে। অডিটরগণ তাদের কাজের ক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং স্টান্ডার্ডসের (আইএএস) বিধান অনুযায়ী আর্থিক প্রতিবেদনগুলোর যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তা প্রদান করেন। এটি কখনও পূর্ণ নিশ্চয়তা নয়। অডিটরদের শুধু তাদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করতে হবে।

এছাড়াও আইসিএবি এখন অন্যান্য সময়ের চেয়ে অনেক সচেতন। আর ভুল যেখানে সূত্রপাত সেখানে যদি বন্ধ করা যায়, তবে সকলের কাজ সহজ হবে। এই ধরনের ওয়ার্কশপের আয়োজন ডিএসইর একটি ভালো পদক্ষেপ।

ডিএসইর সহকারী মহাব্যবস্থাপক এবং হেড অব সিজি এন্ড এফআরসি মো. মাসুদ খান, এসিসিএ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন৷ প্যানেল অডিটর, ইস্যু ম্যানেজার এবং আন্ডাররাইটারদের ভূমিকা, দায়িত্ব এবং করণীয় শীর্ষক মূল প্রবন্ধে তিনি অডিটর/অডিট ফার্মের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, ইস্যু ম্যানেজার এবং আন্ডাররাইটারদের দায়িত্ব, আইপিও/কিউআইও এর জন্য এক্সচেঞ্জ লক্ষ্য করার বিষয়সমূহ এবং অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্টে ফেব্রিকেশন ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করেন।

মো. রকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন লংকাবাংলা ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেডের সিইও ইফতেখার আলম, সন্ধানী লাইফ ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের ফাস্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রিয়াদ মতিন, ম্যাবস এন্ড জে পার্টনার্স থেকে ডিএসইর সাবেক পরিচালক ও আইসিএবির সাবেক প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ, অক্টোপাস থেকে ফেরদৌস আহমেদ এবং ফার্ম এন্ড আর চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস থেকে ফৌজিয়া হক।

ডিএসইর প্রধান রেগুলেটরী কর্মকর্তা খাইরুল বাসার আবু তাহের মোহাম্মদ বলেন, আজকের যে প্রোগ্রামটি অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রাম থেকে যে সব ফাইন্ডিংসগুলো উঠে এসেছে সেগুলো নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।

শেয়ারবাজারের উন্নয়নে এ ধরনের প্রোগ্রাম ধারাবাহিকভাবে আয়োজন করা হবে। আমরা সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে আইপিওর কাজগুলো দায়িত্ব সহকারে পালন করি।

তবে শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হবে। যা শেয়ারবাজারকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ট্যাগস

শেয়ারবাজারের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে বিনিয়োগকারী: ডিএসই এমডি

আপডেট সময় ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

শেয়ারবাজারের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে বিনিয়োগকারী এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাত্ত্বিক আহমেদ শাহ।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা আপনাদের মাধ্যমে কোম্পানির সম্পর্কিত সঠিক তথ্য পেয়ে থাকেন। এইজন্য আপনাদের তথ্যের সঠিকতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরী। বিনিয়োগকারীরা আপনাদের নিরিক্ষিত তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। আপনাদের তথ্য সঠিক হলেই কেবল একটি দীর্ঘমেয়াদি টেকসই শেয়ারবাজার গঠন সম্ভব।

রোববার (০২ জুন) ডিএসইর ট্রেনিং একাডেমিতে “ডিউ ডিলিজেন্স অফ ডিউটিস এন্ড রেস্পন্সিবিলিটিজ” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ডিএসইর লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স এন্ড ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং কমপ্লায়েন্স ডিপার্টমেন্টের যৌথ উদ্যোগে ইস্যু ম্যানেজার, আন্ডাররাইটার এবং প্যানেল অডিটরদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডিএসই’র ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাত্বিক আহমেদ শাহ৷

কর্মশালায় উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে ডিএসই ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, কোম্পানি আইপিওতে আসতে চাইলে তাকে ইস্যু ম্যানেজার নিয়োগ দিতে হয়। ইস্যু ম্যানেজারের কাজ হলো আন্ডাররাইটার সংগ্রহ করা, বিএসইসি’র অনুমতি নেয়া, প্রসপেক্টাস প্রকাশ, আবেদন পত্র যাচাই করা, বরাদ্দপত্র ইস্যু করা ইত্যাদি।

তিনি বলেন, যে কেউ চাইলেই ইস্যু ম্যানেজারের কাজ করতে পারে না, এজন্য বিএসইসি’র সনদ সংগ্রহ করতে হয়। এখানে ইস্যু ম্যানেজারের অনেক বেশি দায়িত্ব৷ একইসাথে অডিট রিপোর্ট গ্রহণযোগ্যতা জন্য নিরীক্ষককে দায়িত্বশীল হতে হবে। বিনিয়োগকারীদের কাছে অডিট রিপোর্টের গ্রহণযোগ্যতার জন্য নিরীক্ষা মতামতগুলো অবশ্যই সঠিক হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজকের কর্মশালাটি মূলত আয়োজন করা হয়েছে ডিএসই এপিএ এর অংশ হিসেবে, আমি মনে করি এই কর্মশালার মাধ্যমে অডিটর ইস্যু ম্যানেজার ও আন্ডার রাইটার সহ তাদের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা লাভ করবে।

আজকের এই কর্মশালায় ডিএসই’র বা রেগুলেটরি দৃষ্টিকোন থেকে আপনাদের দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে আলোকপাত করা হবে।

কর্মশালায় বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মাজেদা খাতুন বলেন, একটা কোম্পানি শেয়ারবাজারে আনতে হলে ইস্যু কোম্পানিকে অনেকটা অনুরোধ করেই আনতে হয়। আমাদের কাছে আসার পর দেখা যায় অনেক কিছুর অভাব রয়েছে।

সেইগুলো ঠিক করে একটা ইস্যু উপযোগী করা আমাদের জন্য অনেক কঠিন হয়। সেই জন্য আমরা ইতোধ্যেই পাবলিক রুলস বিভিন্ন ইস্যুতে কিছুটা মডিফিকেশনের জন্য বলেছি। ইস্যু ম্যানেজারের কাছে যখন আসে, তখন ইস্যু ম্যানেজারের সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। একটা ইস্যু জমা দিতে দেড় থেকে দুই বছর বা ক্ষেত্রেবিশেষে তারও বেশি সময় লাগে। ইস্যু ম্যানেজারের সে দায়িত্বগুলো দেওয়া হয়েছে বিশেষ করে ইউটিলাইজেশনের বিষয়টা, সেখানে ইস্যু ম্যানেজাররা কোনোভাবেই যুক্ত থাকেন না। সেটাকেও আমাদেরকে রেসপনসিবল করা হয়েছে।

অন্যান্য যে রেগুলেটর বডি আছে যেমন ভ্যাট, ট্যাক্স সেগুলো ইস্যু ম্যানেজাররা কিভাবে অথেনটিক্যাশন করতে পারবে। এই ডকুমেন্টগুলো অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে দেয়া হয়। সেই ডকুমেন্টগুলো আমাদের অথেনটিকেড করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা ভালো ইস্যু আনতে চাই। এজন্য আমরা কিছু প্রস্তাব দিয়েছি সেগুলো বাস্তবায়ন হলে আমাদের কাজ করতে সুবিধা হবে। একটা কোম্পানি গঠন করার সময় যদি মার্চেন্ট ব্যাংকারের সাথে সংযুক্ত করা যায়, তাহলে প্রথম থেকেই একটা সিস্টমে এর মধ্যে থাকবে যা পরবর্তীতে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত হতে ইস্যু ম্যানেজারকে সহায়তা করবে।

আইসিএবির কাউন্সিল মেম্বার ও সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. শাহাদাত হোসাইন বলেন, আজকে যে প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়েছে, এর মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি অনেকাংশে দূর করা যায়। একইসাথে সকলে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হবে।

এছাড়াও একে অপরের সাথে মত বিনিময় করলে সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব গড়ে ওঠে। অডিটরগণ তাদের কাজের ক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং স্টান্ডার্ডসের (আইএএস) বিধান অনুযায়ী আর্থিক প্রতিবেদনগুলোর যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তা প্রদান করেন। এটি কখনও পূর্ণ নিশ্চয়তা নয়। অডিটরদের শুধু তাদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করতে হবে।

এছাড়াও আইসিএবি এখন অন্যান্য সময়ের চেয়ে অনেক সচেতন। আর ভুল যেখানে সূত্রপাত সেখানে যদি বন্ধ করা যায়, তবে সকলের কাজ সহজ হবে। এই ধরনের ওয়ার্কশপের আয়োজন ডিএসইর একটি ভালো পদক্ষেপ।

ডিএসইর সহকারী মহাব্যবস্থাপক এবং হেড অব সিজি এন্ড এফআরসি মো. মাসুদ খান, এসিসিএ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন৷ প্যানেল অডিটর, ইস্যু ম্যানেজার এবং আন্ডাররাইটারদের ভূমিকা, দায়িত্ব এবং করণীয় শীর্ষক মূল প্রবন্ধে তিনি অডিটর/অডিট ফার্মের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, ইস্যু ম্যানেজার এবং আন্ডাররাইটারদের দায়িত্ব, আইপিও/কিউআইও এর জন্য এক্সচেঞ্জ লক্ষ্য করার বিষয়সমূহ এবং অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্টে ফেব্রিকেশন ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করেন।

মো. রকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন লংকাবাংলা ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেডের সিইও ইফতেখার আলম, সন্ধানী লাইফ ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের ফাস্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রিয়াদ মতিন, ম্যাবস এন্ড জে পার্টনার্স থেকে ডিএসইর সাবেক পরিচালক ও আইসিএবির সাবেক প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ, অক্টোপাস থেকে ফেরদৌস আহমেদ এবং ফার্ম এন্ড আর চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস থেকে ফৌজিয়া হক।

ডিএসইর প্রধান রেগুলেটরী কর্মকর্তা খাইরুল বাসার আবু তাহের মোহাম্মদ বলেন, আজকের যে প্রোগ্রামটি অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রাম থেকে যে সব ফাইন্ডিংসগুলো উঠে এসেছে সেগুলো নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।

শেয়ারবাজারের উন্নয়নে এ ধরনের প্রোগ্রাম ধারাবাহিকভাবে আয়োজন করা হবে। আমরা সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে আইপিওর কাজগুলো দায়িত্ব সহকারে পালন করি।

তবে শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হবে। যা শেয়ারবাজারকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।