ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে বাসচাপায় নানা-নাতনি নিহত

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪
  • 7

লক্ষ্মীপুরে রাস্তা পারাপারের সময় যাত্রীবাহী বাসচাপায় মিম আক্তার (৪) ও তার নানা নাছির মোল্লার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব হাজিরপাড়া এলাকার সিয়াম পেট্রল পাম্পের সামনে লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিম ও তার নানা নাছির চট্টগ্রামগামী শাহী পরিবহনের একটি বাসের যাত্রী ছিলেন। ভোলা থেকে লঞ্চে এসে তারা সদর উপজেলার মজুচৌধুরীর হাট এলাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে বাসে ওঠেন। ঘটনাস্থলে এসে বাসটি তেল নেওয়ার জন্য পাম্পে দাঁড়ায়। এসময় নাতনিকে নিয়ে বাস থেকে নেমে নছির রাস্তার বিপরীত পাশের দোকানে যাচ্ছিলেন। রাস্তা পারাপারের সময় যমুনা পরিবহনের একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মিম। এসময় তার নানা নাছিরও গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরূপ পাল বলেন, দুর্ঘটনায় এক শিশুকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। আহত অবস্থায় নাছির নামে আরও একজনকে আনা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। সম্পর্কে তারা নানা-নাতনি বলে জানা গেছে।

চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশুর মরদেহ ও আহত ব্যক্তিকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাছিরও মারা যান।

ট্যাগস

লক্ষ্মীপুরে বাসচাপায় নানা-নাতনি নিহত

আপডেট সময় ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

লক্ষ্মীপুরে রাস্তা পারাপারের সময় যাত্রীবাহী বাসচাপায় মিম আক্তার (৪) ও তার নানা নাছির মোল্লার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব হাজিরপাড়া এলাকার সিয়াম পেট্রল পাম্পের সামনে লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিম ও তার নানা নাছির চট্টগ্রামগামী শাহী পরিবহনের একটি বাসের যাত্রী ছিলেন। ভোলা থেকে লঞ্চে এসে তারা সদর উপজেলার মজুচৌধুরীর হাট এলাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে বাসে ওঠেন। ঘটনাস্থলে এসে বাসটি তেল নেওয়ার জন্য পাম্পে দাঁড়ায়। এসময় নাতনিকে নিয়ে বাস থেকে নেমে নছির রাস্তার বিপরীত পাশের দোকানে যাচ্ছিলেন। রাস্তা পারাপারের সময় যমুনা পরিবহনের একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মিম। এসময় তার নানা নাছিরও গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরূপ পাল বলেন, দুর্ঘটনায় এক শিশুকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। আহত অবস্থায় নাছির নামে আরও একজনকে আনা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। সম্পর্কে তারা নানা-নাতনি বলে জানা গেছে।

চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশুর মরদেহ ও আহত ব্যক্তিকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাছিরও মারা যান।